আল্লাহ তা’য়ালার নাম ও কুরআনের আয়াত এবং আসমাউল হুসনার প্রভাব

 

আল্লাহর নাম, কোরআনের আয়াত এবং আসমাউল হুসনার প্রভাব

পবিত্র কোরআনের আয়াত, নবী করিম (সা.)-এর হাদিসসমূহ এবং আল্লাহর গুণবাচক নামসমূহের মাধ্যমে পরিচালিত আমল ও দোয়াগুলো এতটাই কার্যকরী যে, তা আত্মিক ও শারীরিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতার অন্তর্ভুক্ত। যদি কেউ সম্পূর্ণ বস্তুবাদী হয়ে না পড়ে এবং আত্মিক প্রভাব ও বরকতের ধারণা একেবারে হারিয়ে না ফেলে, তবে এর কার্যকারিতা অস্বীকার করা অসম্ভব।
কোরআন নিজেই তার শিফা বা চিকিৎসার ক্ষমতা সম্পর্কে ঘোষণা করেছেঃ
➡ সুরা ইউনুস, আয়াত ৫৭:
হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে এসেছে উপদেশ, যা অন্তরের ব্যাধির প্রতিকার এবং মুমিনদের জন্য পথনির্দেশ ও দয়া।
➡ সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত ৮২:
আমি কোরআনে যা নাযিল করি, তা মুমিনদের জন্য শেফা (চিকিৎসা) এবং রহমতস্বরূপ কিন্তু এটা জালিমদের শুধু ক্ষতিই বাড়িয়ে দেয়।
তাফসিরবিদগণ বলেন, এখানে ‘শিফা’ শব্দটি সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা কেবল আত্মিক নিরাময়ের জন্য সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি শারীরিক চিকিৎসার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

আল্লাহই প্রকৃত নিরাময় দাতা

আল্লাহ তায়ালা প্রকৃত শেফা দাতা। হযরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর সম্পর্কে বলেছেন
যখন আমি অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে সুস্থ করেন। (সুরা আশ-শু’আরা, আয়াত ৮০)
কিন্তু পৃথিবী কারণ ও মাধ্যমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। যেমন বিভিন্ন ধরনের ঔষুধে আল্লাহ শিফা রেখেছেন, তেমনি বিভিন্ন আমল ও দোয়া-তেও তিনি অসাধারণ প্রভাব ও বরকত দান করেছেন।

Comments (0)


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *