কুরআনের কি আমল করলে জিনের রোগীরা ভালো থাকবে
(১) যে রোগী একেবারে পড়া-লেখা জানে না, তাদেরকে অন্তত সূরা ফাতেহা বেশি বেশি পাঠ করতে বলবে। কারণ সূরা ফাতেহা সমস্ত রোগের ঔষধ এবং এই সূরার মধ্যে জিনদেরকে রোগী থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার পাওয়ার রয়েছে।
عن على ، قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ” خير الدواء القرآن ”
আলী (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, উৎকৃষ্ট চিকিৎসা হলো কুরআনুল কারীম। (ইবনে মাজা খ. ৩ পৃ. ৪৩৮)
عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ قالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم্ فَاتِحَةُ الْكِتَابِ شِفَاءٌ مِنْ كُلِّ دَاءٍ
আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূরা ফাতেহা সমস্ত রোগের শেফা। (সুনানে দারেমী খ. ২ পৃ. ৪৫০)
এই হাদিসগুলো থেকে বুঝে আসে কুরআন উৎকৃষ্ট ঔষধ, বিশেষ করে সূরা ফাতেহা সমস্ত রোগের ঔষধ এবং সূরা ফাতেহা পাঠ করলে আল্লাহ তা’য়ালা বালা মসিবত বান্দাদের থেকে উঠিয়ে নেয়।
عن حذيفة بن اليمان أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن القوم ليبعث الله عليهم العذاب حتما مقضيا فيقرأ صبي من صبيانهم في الكتاب ^ الحمد لله رب العالمين ^ فيسمعه الله تعالى فيرفع عنهم بذلك العذاب أربعين سنة
হুজায়ফা ইবনে ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, এক সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহ তা’য়ালা চুড়ান্ত শাস্তি পাঠান, এ অবস্থায় ঐ সম্প্রদায়ের বাচ্চাদের মধ্য থেকে একটি বাচ্চা মক্তবে আল-হামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন পাঠ করে, আল্লাহ তা’য়ালা তা শ্রবণ করেন চল্লিশ বছরের জন্য তাদের থেকে আজাব উঠিয়ে নেয়। (তাফসীরে বায়যবী খ.১ পৃ. ১৬)
সুতরাং জিনে মানুষকে আছর করা একটা রোগ বা বিপদ । তাই আছরকারী ব্যক্তি বেশি বেশি সূরা ফাতেহা পাঠ করলে তা থেকে মুক্তি দিবেন আল্লাহ তা’য়ালা।

Comments (0)